Logo
EN
Logo
×
গাজাবাসীর জন্য
গাজাবাসীর জন্য

গাজাবাসীর জন্য

গাজা এবং পশ্চিম তীরে ৭ অক্টোবর থেকে চলমান সংঘর্ষে ৩০,০০০ এরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। আহত হয়েছেন ১০০,০০০-এর ও বেশি মানুষ। এক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকেরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন। তারা সীমাহীন দুঃখ-কষ্ট, পানির অভাব এবং অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। নিরুপায় হাজারো মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপত্তার খোঁজে ছুটে চলেছেন। তাদের এই অসহনীয় কষ্ট থেকে পরিত্রাণে বিশ্ব  চাইছে এই হত্যাযজ্ঞের অবসান হোক।



আল-খায়ের ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ অনেকগুলো দল সম্মুখসারিতে থেকে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, তাদের জীবন বিপন্ন করে সহায়তা প্রদান করছেন। মৃত্যু, বিপদ এবং ধ্বংসের চরম পরিস্থিতিতেও, তারা নিরলসভাবে এই ভয়াবহতার মধ্যে আটকে পড়া মানুষের কাছে পৌঁছানোর এবং তাদের সহায়তা দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আপনার সমর্থন তাদের এই মানবিক প্রচেষ্টার জীবনরেখা স্বরূপ।

সংঘর্ষের শুরু থেকে মিশরে অবস্থিত আমাদের সহায়তা কেন্দ্রের গুদাম থেকে অক্লান্তভাবে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কেন্দ্রটি সর্বদা কর্মচঞ্চল সময় পার করছে। সেখানে একের পর এক কার্গোট্রাকে ত্রাণ সামগ্রী উঠানো হচ্ছে এবং ছেড়ে যাচ্ছে রাফাহর উদ্দেশ্যে। যার শেষ পর্যন্ত গন্তব্য গাজার সীমান্ত পার হওয়া। এ পর্যন্ত, আমরা গাজায় ২২৫ টিরও বেশি ত্রাণ ট্রাক প্রেরণ করেছি, যা মানবিক সংকট লাঘবে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে।

আল-খায়ের ফাউন্ডেশন গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করছে এবং আমরা সচেষ্ট রয়েছি এই অঞ্চলের প্রত্যন্ত স্থানে আমাদের মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে । আমরা অসংখ্য ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছি। তবে, আমাদের এই মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তার জরুরি সম্প্রসারণ প্রয়োজন। পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর কাজের মাধ্যমে আমরা মানবিক নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছি।

ফাউন্ডেশন গাজায় একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল নির্মানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিদিনের স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জের সঙ্গে লড়াইরত এ অঞ্চলে আমাদের প্রচেষ্টা-- মানুষের জীবন রক্ষা, তাদের কষ্ট লাঘব এবং স্বস্তি প্রদান। আমাদের লবণাক্ততা অপসারণ প্ল্যান্ট বর্তমান যুদ্ধে তীব্রতর হওয়া পানির সংকট মোকাবেলায় কাজ করছে, যা সমুদ্রের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করে।

বোমা হামলার মুখেও, গাজায় আমাদের রান্নাঘরগুলি প্রয়োজনীয় ও সহানুভূতির বাতিঘর হিসেবে কাজ করছে। পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের পাশাপাশি এই রান্নাঘরগুলি বিপর্যস্ত মানুষের মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং স্থানচ্যুত, ধ্বংস ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সাথে লড়াইরতদের সান্ত্বনা প্রদান করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আমরা এই সংঘর্ষের সময় ৬,৫০০ এতিমের যত্ন নেওয়ার জন্য নিবেদিত। এটা শুধু সবচেয়ে দুর্বলদের কল্যাণে আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতিই প্রদর্শন করে ন, বরং এই অঞ্চলের গভীর কষ্টের মধ্যে আশার ও নিরাপত্তার জীবনরেখা প্রদান করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি সতর্কতা জারি করেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আর কোনো জ্বালানি অবশিষ্ট নেই, সরবরাহও নেই। সংঘর্ষে ব্যপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। যেখানে কমপক্ষে ২৩,৩৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কমপক্ষে ৫৯,৪১০ জন আহত হয়েছেন।


গাজায় এক মিলিয়ন খাবার

নোট: ন্যূনতম ৩টি খাবার প্রয়োজন

১টি খাবার৬২০ টাকা
২৫টি খাবার১৫,৫০০ টাকা
৫০টি খাবার৩১,০০০ টাকা
১০০টি খাবার৬২,০০০ টাকা
২৫০টি খাবার১৫৫,০০০ টাকা
নতুন অ্যাম্বুলেন্স৭,৭৫০,০০০ টাকা


আপনি দান করেছেন, আমরা গাজায় পৌঁছে দিয়েছি

রান্নকরা খাবার১ মিলিয়ন
অনাথ সহায়তা৬,৫০০
খাদ্য প্যাক২০,০০০
হাইজিন কিট৭,০০০
রুটি প্যাক৩০,০০০
তাঁবু২,৩০০
পাবলিক ওয়াশরুম২৩০
পানি (লিটার)
২০ মিলিয়ন
কম্বল৫,০০০
অ্যাম্বুলেন্স (হাসপাতালের জন্য)
সোলার ওয়াটার ওয়েল
গাজার জন্য ত্রাণ ট্রাক২২৫
হাসপাতাল সহায়তা পেয়েছে১৪


গাজায় আপনার সহায়তা

আপনার যাকাত অনুদান আল খায়ের ফাউন্ডেশনকে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করে—বাড়ি নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা থেকে শুরু করে অসহায় পরিবারগুলোর খাদ্য ও পোশাকের ব্যবস্থা পর্যন্ত। আমরা সরাসরি সহায়তা প্রদান নীতিতে বিশ্বাস করি, যাতে আপনার যাকাত সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত মানুষের জীবনে স্থায়ী ও অর্থবহ পরিবর্তন আনতে পারে।


আমাদের নিজস্ব ফুড কিচেন

গাজায় বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য একটি ফুড কিচেন পরিচালনা করা শুধু প্রয়োজন নয়, এটি করুণারও প্রতীক। বাস্তুচ্যুতি, ধ্বংসযজ্ঞ এবং খাদ্য সংকটের সম্মুখীন মানুষের জন্য আমাদের ফুড কিচেন এই সংকটময় সময়ে আশার আলো ও পুষ্টির উৎস হয়ে উঠেছে। এই কিচেনগুলো শুধু খাবার পরিবেশনের জন্য নয়, বরং মানুষের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া ও একอบ্দনে উষ্ণতা দেওয়ার একটি প্রয়াস, যারা তাদের সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে।



অনাথ স্পন্সরশিপ

এই সংঘাত চলাকালীন গাজায় ৬,০০০ অনাথ শিশুর দায়িত্ব নেওয়া আমাদের এক ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ। অনাথ শিশুদের জন্য সহায়তা, দিকনির্দেশনা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সমাজের সবচেয়ে দুর্বল সদস্যদের কল্যাণে নিবেদিত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এই সংকটময় সময়ে, যখন গাজাবাসী চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে, আমাদের এই উদ্যোগ শিশুদের জন্য নিরাপত্তা ও আশার এক অবিচ্ছেদ্য সেতু হিসেবে কাজ করছে।



নোনাজল বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প

আল-খায়ের ফাউন্ডেশনের নোনাজল বিশুদ্ধকরণ প্রকল্প গাজায় একটি জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ, বিশেষ করে যখন ইসরায়েলি অবরোধের কারণে সব পানির সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিশুদ্ধ পানির অপ্রতুলতার মধ্যে, আমাদের ডিস্যালিনেশন প্লান্ট স্থানীয় জনগণের জন্য পরিষ্কার ও নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে, এই প্লান্ট সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ও অন্যান্য অশুদ্ধি দূর করে, যা গাজার মানুষের জন্য একটি অমূল্য সম্পদ হয়ে উঠেছে।



একটি পরিবারের জন্য আশ্রয় কিট, টেন্ট, কম্বল, সিঙ্গেল ম্যাট্রেস এবং বালিশসহ দয়া করে আপনার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন এবং গাজার মানুষের পাশে দাঁড়ান।

অনুদান পাঠানোর হিসাব নম্বর

Bkash Merchant Account

01325088020

(Donate by choosing the payment option)

অনুদান

Food pack 50 USD (6000 TK)

Hot meal (2 per) 8 USD (960 TK)

Eid gift 50 USD (6000 TK)

Hygiene kit 50 USD (6000 TK)

অনুদান ক্লিক করে আপনি আমাদের ব্যবহারের শর্তাবলি, রিফান্ড নীতিমালা এবং গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হন

অনুসরণ করুন

ssl banner